শুক্রবার, ০৩ Jul ২০২০, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন

আমাদের অফার :
অনলাইন নিউজ পোর্টাল মাত্র ৩০০০ টাকা থেকে শুরু - 01770896661
মহুয়ার পিতা-মাতার প্রতারনার ফাঁদে স্বপ্ন ভাঙ্গলো প্রেমিক শামিনুরের।

মহুয়ার পিতা-মাতার প্রতারনার ফাঁদে স্বপ্ন ভাঙ্গলো প্রেমিক শামিনুরের।

 

স্টাফ রিপোর্টার যশোর জেলাঃ-
যশোরের শার্শা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ধান্যখোলা গ্রামের মনির হোসেন নেদা দম্পত্তির প্রতারনার ফাঁদে স্বপ্ন ভেঙ্গে ভবিষ্যত জীবন নষ্ট হওয়ার উপক্রম যুবক শামিনুরের।বিয়ের আশ্বাসে দীর্ঘ তিন বছর প্রেমিকা মহুয়ার পড়াশুনা সহ উপহার সামগ্রী কিনে বড় অঙ্কের টাকা ব্যায়,হুমকী-ধামকী,হামলা-মামলা,সামাজিক ভাবে হেও হওয়া সহ বিবিধ চিন্তায় আত্নহত্যা ঝুঁকিতে রয়েছে সদ্য প্রতারিত হওয়া যুবক শামিনুর বলে জানিয়েছেন দূর্গাপুর গ্রামের জাহিদ হাসান।ঘটনার বর্ননায় তিনি সাংবাদিকদের বলেন,মেয়ের ৩ বছরের গভীর প্রেমজ সম্পর্ক জেনেও শুধুমাত্র পাত্রের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের চাকুরির লোভে বিবাহিত ছেলের সহিত নিজের অবিবাহিত অনার্স পড়ুয়া কন্যাকে অর্থের লোভে বিয়ে দিয়ে উজ্বল দুটি ভবিষ্যত জীবন হুমকীর মুখে ফেলে সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো রাজমিস্ত্রি মনির হোসেন ওরফে নেদা পরিবার।ডিজিটাল দেশে মেয়ের প্রেমিকের সাথে ডিজিটাল প্রতারনা করেছে সদ্য বিবাহিতা সাবেক শামিনুরের প্রেমিকা মহুয়া আক্তার মনিরার পিতা-মাতা।প্রেমিক শামিনুরের সহিত মহুয়ার বিয়ে দেওয়ার মিথ্যা আশ্বাসে প্রলুদ্ভ করে দুই বছর নাটকীয় ভূমিকায় অর্থনৈতিক ভাবে সর্বশান্ত করেছে লোভী মহুয়া পরিবার।মহুয়া পরিবারের কুরুচী পূর্ন জঘন্য অপারাধের দৃষ্টান্ত মূলক শ্বাস্তি দাবি করেছেন জাহিদ ও শামিনুরের গ্রাম বাসী।গত ২৮জুন রবিবার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানের বাড়িতে ২৭ জুন বেনাপোল পোর্ট থানায় সদ্য বিবাহিতা মহুয়ার প্রেমিক শামিনুরের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষ্যিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির হস্তক্ষেপে বিচার শালীস অনুষ্ঠিত হয় বলে জানা যায়। বিচারে নেদা পরিবার মেয়ের সাবেক প্রেমিক শামিনুরের সাথে অবিচার করছেন বলে প্রমানিত হয়।ধুরুন্ধর মহুয়ার পিতা নেদা ও তার সহোযোগী সাবেক মেম্বার বাদল ছল-চাতুরি করে সিদ্ধান্ত জানাতে সময় নিয়ে সোমবার সকালে গোপনে মহুয়ার বিবাহ দেন আক্তারুল নামের প্রাইমারী স্কুলের সহকারী শিক্ষকের সাথে।এ বিষয়ে বাহাদুরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মুঠোফোনে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান,শামিনুরের সাথে অভিযুক্ত মেয়েটির পিতামাতা প্রতারনা করেছে।তাদের ছেলে-মেয়ের সম্পর্ক দুই পরিবার ই জানতো এমনকি শামিনুর ঐ বাড়িতে যাওয়া-আসা করতো তার সত্যতা প্রমানিত হয়েছে। মহুয়ার সাবেক প্রেমিক শামিনুরের থানায় লিখিত অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া বেনাপোল পোর্ট থানার এস আই মাসুম সাংবাদিকদের জানান,নেদার কন্যা মহুয়া আক্তার মনিরা পূর্বে শামিনুরের সহিত তার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো বলে স্বীকার করে লিখিত ও মৌখিক জবানবন্দী দিয়েছেন। বর্তমানে বাবা-মা ও পরিপূর্ন বয়স প্রাপ্ত হওয়ায় সে তার পছন্দের শিক্ষক পুত্র কে বিবাহ করতে মত পোষন করায় সোমবার তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলে আরো জানান। যুবক প্রেমিকের সাথে অভিনব প্রতারনার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




themesba-zoom1715152249
© All rights reserved © 2019  trinomulbani24.com